

পূর্ব রেলের মার্চ ম্যারাথন: আপনার ভ্রমণ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে দিনরাত নিরলস প্রচেষ্টা
কলকাতা, ৩ মে, ২০২৬:
ট্রেনের প্রতিটি সফর যাতে নিরাপদ, আরামদায়ক এবং নির্ভরযোগ্য হয় তা নিশ্চিত করতে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী মিলিন্দ দেউস্করের দূরদর্শী নেতৃত্বে দিনরাত কাজ করে চলেছে পূর্ব রেল। ২০২৬ সালের মার্চ মাস জুড়ে রেলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা পর্দার আড়ালে থেকে রোলিং স্টক ফ্লিটের ওপর ব্যাপক আকারে “মেজর হেলথ চেক-আপ” বা বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। গভীর রাত থেকে মধ্যগগন—এই ২৪/৭ নিরলস পরিষেবা নিশ্চিত করে যে রেলের প্রতিটি ট্রেন যেন একদম সঠিক অবস্থায় ট্র্যাকে থাকে। এটি যাত্রীদের প্রতি রেলের সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন, যেখানে প্রতিটি ভ্রমণকে মসৃণ ও আরামদায়ক করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
গত মার্চ মাসে সম্পন্ন হওয়া কাজের বিশাল ব্যাপ্তি অঞ্চলের জীবনরেখা সচল রাখতে রেল কর্মীদের নিষ্ঠাকেই তুলে ধরে। আধুনিক এলএইচবি (LHB) এবং ঐতিহ্যবাহী আইসিএফ (ICF) মডেলসহ মোট ১৬২টি প্যাসেঞ্জার কোচ সম্পূর্ণভাবে ওভারহোলিং বা সংস্কার করা হয়েছে, যাতে চাকা থেকে শুরু করে ভেতরের আলো পর্যন্ত সবকিছু যাত্রীদের জন্য নিখুঁতভাবে কাজ করে। পাশাপাশি, লক্ষ লক্ষ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের প্রধান ভরসা হিসেবে ১৪৬টি লোকাল ট্রেন কোচ (ইএমইউ/মেমু) রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে। রেলের ভারী কাজের দিকটিও সমান ব্যস্ত ছিল; ৭টি শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের কঠোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে এবং দেশের অপরিহার্য পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ৬৯৬টি মালবাহী ওয়াগন মেরামত করা হয়েছে।
পূর্ব রেলের এই বিরতিহীন কর্মসংস্কৃতির মূল লক্ষ্য হলো প্ল্যাটফর্মে পা রাখা প্রতিটি মানুষের জন্য একটি দুশ্চিন্তামুক্ত সফরের অভিজ্ঞতা প্রদান করা। মার্চ মাসে এই নিবিড় পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে রেল কর্তৃপক্ষ প্রযুক্তিগত বিলম্ব বা ট্রেন বিকল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে এনেছে। দূরপাল্লার এক্সপ্রেস হোক বা লোকাল শহরতলি ট্রেন—ওয়ার্কশপের প্রকৌশলী এবং কারিগরি কর্মীরা দিনরাত কাজ করে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখছেন।
রেল কর্মীদের এই একনিষ্ঠ প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী শিবরাম মাজি বলেন: “আমাদের কর্মীরা দিনরাত কাজ করে চলেছেন যাতে প্রতিটি যাত্রী নিরাপদ ও আরামদায়ক সফর উপভোগ করতে পারেন।”




